الأحد، 2 فبراير 2025

শাফায়াত কি? কারা শাফায়াত করার সুযোগ পাবে? কেন পাবে?

 

শাফায়াত কি? কারা শাফায়াত করার সুযোগ পাবে? কেন পাবে?
----------------------------
আমাদের আলেমরা বলেছেন, শেষ বিচারের দিন কোনো শাফায়াত বা সুপারিশ ঘটার জন্য দুইটি শর্ত পূর্ণ হতে হবে। উভয় শর্ত সরাসরি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার সাথে সম্বন্ধযুক্ত।
প্রথম শর্তঃ আল্লাহ কিছু মানুষকে অনুমতি দিবেন শাফায়াত করার। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তাদের নিজেদের এভাবে বলার অধিকার থাকবে না যে, আল্লাহ আমি চাই অমুক ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করুক। না। এরকম বলার অধিকার কারো থাকবে না। একমাত্র আল্লাহ ঐ ব্যক্তিকে অনুমতি দিলে সে শাফায়াত করার সুযোগ পাবে। "হে অমুক! দাঁড়াও এবং সুপারিশ করো।" তখন সে শাফায়াত করতে পারবে।
কারা এ সুযোগ পাবে? ধার্মিক মানুষেরা। পুণ্যবান মানুষেরা। ফেরেশতারাও পাবে। নবী রাসূলেরা, সিদ্দিকিনেরা, শহিদেরা, সৎকর্মশীলেরা। একজন শহিদ ৭০ জনের জন্য সুপারিশ করতে পারবে। একটি হাদিসে এসেছে। কুরআনে হাফেজ ১০ জনের জন্যে সুপারিশ করতে পারবে। মৃত বাচ্চারা তাদের পিতামাতার জন্যে সুপারিশ করতে পারবে। তাদেরকে নির্দিষ্ট একটি কোটা দেওয়া হবে।
দ্বিতীয় শর্ত হলোঃ আল্লাহ বলেন- وَ لَا یَشۡفَعُوۡنَ ۙ اِلَّا لِمَنِ ارۡتَضٰی- তারা শুধু তাদের জন্যই সুপারিশ করে যাদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট।(২১:২৮)
আল্লাহ তোমাকে অনুমতি দিবেন বলেই যে তোমার সুপারিশ কবুল হয়ে যাবে ব্যাপারটা এমন নয়। এর প্রমাণ হলো- وَ کَمۡ مِّنۡ مَّلَکٍ فِی السَّمٰوٰتِ لَا تُغۡنِیۡ شَفَاعَتُهُمۡ شَیۡئًا اِلَّا مِنۡۢ بَعۡدِ اَنۡ یَّاۡذَنَ اللّٰهُ لِمَنۡ یَّشَآءُ وَ یَرۡضٰی - আর আসমানসমূহে অনেক ফেরেশতা রয়েছে, তাদের সুপারিশ কোনই কাজে আসবে না। তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন এবং যার প্রতি তিনি সন্তুষ্ট, তার ব্যাপারে অনুমতি দেয়ার পর।(৫৩:২৬)
আর এটা যৌক্তিক মনে হয়। কেউ যদি এভাবে দাঁড়িয়ে বলে- "আমি চাই এই দশ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করুক।" তাহলে এখানে মালিক কে? কে তাহলে রব? বিচার দিনের মালিক কে তাহলে? কে বিচারক? এই ব্যক্তি? অবশ্যই না। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা হলেন মালিক, রব এবং বিচারক। স্পষ্টত কেউ শাফায়াত করলেই যে কবুল হবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই।
তাহলে দুইটি শর্ত। আল্লাহ এক দল মানুষকে সুপারিশ করার অনুমতি দিবেন এবং এরপর তিনি যার জন্য ইচ্ছা সুপারিশ কবুল করে নিবেন। যার জন্যে ইচ্ছা কবুল করবেন না।
দিনশেষে, সবকিছুই আল্লাহর হাতে। তাহলে প্রশ্ন আসে, শাফায়াতের দরকার কি? কোন কারণে একজন শহিদকে বলা হবে তুমি ৭০ ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করতে পারো। কিন্তু, তিনি হয়তো ৩৫ জনেরটা গ্রহণ করবেন আর বাকি ৩৫ জনেরটা প্রত্যাখ্যান করবেন।
স্পষ্টতই শহিদ, হাফেজ, আলেম বা মুত্তাকীর পছন্দ অপছন্দ করার শর্তহীন সুযোগ থাকবে না। তাহলে কোন কারণে এই সুপারিশের সুযোগ দেওয়া হবে?
এর উত্তর হলোঃ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এক দল পুণ্যবান মানুষদের সুপারিশ করার অনুমতি দিয়ে সম্মানিত করবেন এমন এক দিনে যেদিন কারো কোনো কথা বলার সুযোগ থাকবে না। এমন এক দিনে যেদিন ভয়ে সবাই কাঁপতে থাকবে আর আপনি শুধু পাশই করলেন না, আপনাকে অনুমতি দেওয়া হলো আরও কিছু মানুষকে বাঁচিয়ে নেওয়ার।
এটা কি সম্মান নয়? সেই কঠিন দিনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলবেন, হে অমুক! যাও দশ জনের জন্য সুপারিশ করো। এটা কি সম্মান নয়? যখন সমগ্র মানবজাতি তীব্র ভয়ে কাঁপতে থাকবে তখন এক ব্যক্তি উঠে ৭০ জনের জন্যে সুপারিশ করবে।
স্পষ্টত কে এই সম্মান পাবে? যে বেশি ধার্মিক, বেশি মুত্তাকী। অতএব, কোনো ব্যক্তি যত বড় ঈমানদার হবে তার সুপারিশ করতে পারার সম্ভাবনা তত বেশি হবে। এবং তাদের ঈমান যত সর্বোত্কৃষ্ট হবে সে অনুযায়ী তাদের কোটাটাও বেশি হবে।
আর যাদের ক্ষমা করা হবে তাদের ক্ষেত্রে বলা যায়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা শাফায়াতের মাধ্যম ব্যবহার করছেন তাদের ক্ষমা করে দিবেন বলেই।
এজন্য হাসান আল বসরী বলেছেন- "তোমার ধার্মিক বন্ধুর সংখ্যা বাড়াও। আল্লাহ জানেন কার শাফায়াত কবুল করা হবে।"
বখাটেদের সাথে চলাফেরা করো না, ও তরুণ মুসলিমেরা। তাদের সাথে ঘুরো না যারা তাদের সাথে তোমাকেও আগুনের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। তাদের সাথে আড্ডা দিও না যারা তোমার চরিত্রে মন্দ প্রভাব ফেলছে। কেন এমনটি করবে!!
ধর্ম প্র্যাকটিস করে এমন বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়াও। কারণ, যদি কোনো কারণে শেষ বিচারের দিন পার না পাও, হয়তো তোমার কোনো বন্ধুর সুপারিশের কারণে বেঁচে যাবে। একজন বিখ্যাত স্কলার বলেছেন- আমি সৎকর্মশীলদের ভালবাসি। যদিও আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত নই। হয়তো তাদের ধার্মিকতা আমার উপর প্রভাব ফেলবে। এবং হতে পারে কিয়ামতের দিন তাদের কারো সুপারিশ আমার উপকারে আসবে।
- শায়েখ ইয়াসির কাদির আলোচনা থেকে
- The Day of Judgement | EP 6: The Concept of Shafa`ah (Intercession) Part 1 | Shaykh Dr. Yasir Qadhi
عرض الترجمة
كل التفاعلات:
أنت و٧٠ شخصًا آخر

God raised up his servant (Jesus)...” (Bible,Acts 3:26).

 God raised up his servant (Jesus)...” (Bible,Acts 3:26).

Jesus was a servant of God.

 

 Peter said: “God raised up his servant (Jesus)...” (Acts 3:26). 

 

The title servant refers to Jesus.  This is clear from a previous verse where Peter declared:

“The God of Abraham, Isaac and Jacob, the God of our fathers, has glorified his servant Jesus.” (Acts 3:13).

 

Peter declared:

“We must obey God rather than men!  The God of our fathers raised Jesus...” (Acts 5:29-30).

 

He referred to Jesus as “...your holy servant Jesus, whom you anointed.” (Acts 4:27).

 

The Quran confirms that Jesus was the Messiah (Christ), and that he was God’s servant (see the Holy Quran 3:45 and 19:30).

 

(Peace be upon you)

صورة

وضعيات صلاة المسلمين الموجودة في الكتاب المقدس - دين الاسلام

وضعيات صلاة المسلمين الموجودة في الكتاب المقدس - دين الاسلام

🔥 "THE SECRET SINS THAT KILL YOUR HEART 💔 | Stop Before It's Too Late!" | Bilal Assad - YouTube

🔥 "THE SECRET SINS THAT KILL YOUR HEART 💔 | Stop Before It's Too Late!" | Bilal Assad - YouTube

Al-Ikhlas(الإخلاص) - Quran Word-by-Word - YouTube

Al-Ikhlas(الإخلاص) - Quran Word-by-Word - YouTube

Fiqh Al Ibadat Weekly Lectures with Sheikh Rajab Kenawi - YouTube

Fiqh Al Ibadat Weekly Lectures with Sheikh Rajab Kenawi - YouTube

Muhammad - Prophet of Islam

Muhammad - Prophet of Islam